তামাবিল স্থল বন্দরে শ্রমিকদের মাঝে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর চাল বিতরণ
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন (৩৮) নামে এক যুবক মারা গেছেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও নিহতের মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে রয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার (৪ এপ্রিল) কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিহত সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী তসলিমা বেগম একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তার স্বামীর মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে রয়েছে। গত বুধবার (১ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
সাদ্দাম হোসেন (৩২)। তিনি একই উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামাগ্রামের বাসিন্দা কুটু মিয়ার ছেলে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি ৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হকও সাদ্দাম হোসেনের নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন। এসময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা গুলি চালালে সাদ্দাম হোসেন নিহত হন ও তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া আহত হন। পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)। গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে তারা ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল বলেন, সাদ্দামসহ কয়েকজন সীমান্ত পাড়িয়ে দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যাওয়ার পর খাসিয়ারা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ভারতের অভ্যন্তরেই মারা যান সাদ্দাম। তার মরদেহ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারত।
সিলেট বিজিবি-৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর বিজিবি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
সিলেট সীমান্ত, কোম্পানীগঞ্জ, ভারত, খাসিয়া, গুলিবিদ্ধ, নিহত