২৩ এপ্রিল ২০২৬

দৈনন্দিন / গ্রামবাংলা

দেশে ফিরে পৈত্রিক ভিটায় ঠায় মিলেনি জগন্নাথপুর প্রবাসীর

প্রতিনিধি, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ

প্রকাশঃ ২১ মে, ২০২৫ ১:১৫ অপরাহ্ন


দেশে ফিরে পৈতৃক ভিটায় উঠতে পারছেন না সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ইসাকপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুর রব। তার নিজের বোন ও ভাগ্না ঘর দখল করে তাকে বাড়িতে উঠতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। 


মঙ্গলবার (২০মে) জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী বরকত উল্লাহ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী আব্দুর রব।


অভিযোগপত্রে আব্দুর রব জানান, আমার বৃদ্ধা মা অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে একা ছিলেন। বিদেশে থাকাকালে অসুস্থ বৃদ্ধ মায়ের দেখাশোনার দায়িত্বে বোন হামিদা বেগম ও ভাগ্না আব্দুল আওয়ালকে বাড়িতে আশ্রয় দেয়। কিন্তু আমার অনুপস্থিতিতে তারা বাড়ি দখল করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বাড়ির দামি আসবাবপত্র, জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও বেহাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 


তিনি উল্লেখ করেন, আমি বিদেশে থাকাকালীন বিবাদীরা আমার গরু-বাছুর বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং জমি-বাড়ি দখল করেছে। অথচ তাদের অসহায় অবস্থার কথা ভেবে আমি নিজ বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলাম।


আব্দুর রব আরও জানান, পিতা-মাতা জীবিত থাকাকালে তাকে দানপত্র ও উইলপত্র দিয়ে বাড়ির মালিকানা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ২৩ শতক জায়গার মালিক, অথচ সেই জায়গায় এখন উঠতে পারছি না। এছাড়া পিতা-মাতা জীবিত থাকাকালে বোনের অংশ দিয়ে গেছেন। বোন তার নিজস্ব অংশ বিক্রি করে ফেলেন এবং সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। 

 

তিনি আর অভিযোগ তুলে জানান, আমি ৯ মে লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছি। কিন্তু বাড়িতে উঠতে পারছি না। হামিদা বেগম ও তার ছেলে আমার ঘর দখল করে রেখেছে। এমনকি প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে তারা।

 

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে হামিদা বেগম বলেন, ‘আমি আমার ভাইকে বাড়িতে ঢুকতে বাধা দিইনি।’

 

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুল রহমান জানান, এটি দেওয়ানি মামলার বিষয়। আদালতের মাধ্যমে সমাধান করতে বলা হয়েছে। তবে পুলিশ থেকেও বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। 


এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরকত উল্লাহ জানান, প্রবাসী আব্দুর রব লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার বোন ও ভাগ্না তাকে বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছেন না। আমি দুই পক্ষকেই নোটিশ করেছি।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

জগন্নাথপুর, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী jকর্মকর্তা, প্রবাসী আব্দুর রব, দখল

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ