১৩ মার্চ ২০২৬

দৈনন্দিন

আমিরাতে প্রাণ হারানো বড়লেখার সালেহ

আমরা কিছু চাই না, আমার বাবার মরদেহ ফেরত চাই

প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

প্রকাশঃ ৩ মার্চ, ২০২৬ ২:৩০ অপরাহ্ন

ছবিঃ সংগৃহীত

‘আমরা কিছু চাই না, আমার বাবার মরদেহ দ্রুত দেশে এনে দিন’, কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলছিলেন নিহত প্রবাসী সালেহ আহমেদের বড় ছেলে আব্দুল হক।

ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত সালেহ আহমেদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার গাজিটেকা এলাকায় এখন শোকের মাতম। শনিবার (১ মার্চ) রাতে মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর থেকেই বাড়িতে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের আহাজারি থামছে না। প্রতিবেশীরাও এসে শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।

নিহত সালেহ আহমেদ বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আরব আমিরাতে কাজ করছিলেন এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় ইফতার শেষে জরুরি খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের কাজে বাইরে বের হন সালেহ। এ সময় ইরানের হামলার মধ্যে হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সালেহ গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক আঘাত ছিল। সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সালেহর বড় ছেলে আব্দুল হক বলেন, ‘আমার বাবা পরিবারের সবকিছু ছিলেন। আমরা আর কিছু চাই না, শুধু দ্রুত তার মরদেহ দেশে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা হোক।’

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সান্ত্বনা দেন। তিনি বলেন, ‘পুরো পরিবার শোকে কাতর। মরদেহ দ্রুত দেশে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

মৌলভীবাজার, প্রবাস, আমিরাত, ইরান, মৃত্যু, বড়লেখা

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ