
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শুধু কৃষি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নয় বরং প্রতি বছর ঘন ঘন পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা প্রতিরোধে খননকৃত খালগুলো যেন পরিবেশ সহায়ক হয় সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখবে।
শনিবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) বেলা ২ দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্হানীয় নেতৃবৃন্দ, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষি খাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। এই কর্মসূচিতে জৈন্তাপুর উপজেলায় চাহিদা অনুযায়ী খাল খনন করা হবে।
মতবিনিময় সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সীমান্তবর্তী জনপদ জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্মৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় একটি উপজেলা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচির সুফল জৈন্তাবাসীকে পৌঁছে দিতে তিনি কৃষি জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ৭/৮ টি খাল খনন করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান।
পাশাপাশি পর্যটন খাতে উন্নয়নে জৈন্তাপুর উপজেলা অন্যতম পর্যটন স্পট ডিবিরহাওড় লালশাপলা বিলে ক্যাফেটোরিয়া,শৌচাগার, পার্কিং,রেস্টহাউজ, ওয়াচ টাওয়ার স্হাপন করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব, এ কে এম শাহাবুদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মসন সিংহ, সহকারী কমিশনার বিশ্বাস শাহরিয়ার আলম, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা।
এ ছাড়াও জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, ১ নং নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলি, ৪ নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মুহিবুল হক মুহিব, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসিম সহ জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড শাখার নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও স্হানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জৈন্তাপুর উপজেলায় চলমান খালখনন কর্মসূচি এলাকা পরিদর্শন করেন দুই মন্ত্রী। সভা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপন করেন দুইমন্ত্রী। পরে চা শ্রমিক কৃষানীর হাতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে ভূর্তুকি মূল্য রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিন বিতরণ সহ সম্প্রতি সময় আগুনে পুড়ে যাওয়া দুই পরিবার ও দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢেউটিন ও ১৬ জন কর্মজীবী মহিলাকে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।
শেয়ার করুনঃ
দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন
পানিসম্পদ মন্ত্রী, শহীদউদ্দিন চৌধুরী, প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী, খাল খনন, সিলেট


