সিলেটে সড়কে প্রাণ হারানো ৮ মরদেহ বহনে অ্যাম্বুলেন্স সহায়তা দিল এসনিক
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৯:৫৭ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার হরিহরপুর গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩৮)। পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে চার বছর আগে পর্তুগালে পাড়ি জমান তিনি।
বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে ইউরোপের দেশে বসবাসের বৈধতাও পান ওই যুবক। কিন্তু এক মাস না পেরোতেই নিথর দেহ হয়ে বাড়ি ফিরতে হলো তাকে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে দেশে পৌঁছায় স্বপ্নবাজ কামরুলের মরদেহ। এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয় ওই প্রবাসীর।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে কামরুল ছিলেন সবার ছোট। চার বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় পর্তুগালে পাড়ি জমান কামরুল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ১৭ জানুয়ারি তিনি পর্তুগালে স্থায়ীভাবে বসবাসের বৈধতা পান।
কিন্তু গত ৩ ফেব্রুয়ারি পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সিমেন্টের বস্তা মাথায় পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কামরুল।
এদিকে কামরুলের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দাফনের আগে শেষবারের মতো একনজর তার মরদেহ দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী। স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
কামরুলের মামা, উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘অনেক স্বপ্ন নিয়ে কামরুল পতুর্গালে গিয়েছিল। দীর্ঘ চার পর পর্তুগাল স্থায়ীভাবে বসবাসের বৈধতা পাওয়ায় পরিবার আলোর মুখ দেখছিল। কিন্তু তাঁর এই নির্মম মৃত্যুতে পরিবারটি এখন দিশেহারা।’
জগন্নাথপুর, প্রবাসীর মৃত্যু, পর্তুগাল, বাংলাদেশ, কামরুল ইসলাম