জগন্নাথপুরে উপবৃত্তির প্রলোভনে মাদরাসাছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ২:৩৭ অপরাহ্ন
সৌদি আরবের কফিলকে (মালিক) নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়িতে এসেছেন মাকসুদ আখঞ্জী নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের বাড়ির সামনে হেলিকপ্টারে এসে নামেন তাঁরা। সৌদি আরবের ওই নাগরিকের নাম মিশাল আল ইয়ামি। প্রবাসী মাকসুদ রামনগর গ্রামের শাহ আলম আখঞ্জীর ছেলে। ৫ বছর হল সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের থাকছেন তিনি।
এদিকে হেলিকপ্টার করে তাঁদের আগমনের খরব পেয়ে উৎসুক জনতা সৌদি নাগরিক ও প্রবাসী যুবককে এক নজর দেখতে সকাল থেকে প্রবাসী মাকসুদের বাড়ির সামনে অপেক্ষা করতে থাকে। অবশেষে জনতার অপেক্ষার অবসান ঘটে দুপুর ১টার দিকে। হেলিকপ্টার থেকে প্রবাসী যুবক তাঁর সৌদি কফিলকে সঙ্গে নিয়ে মাটিতে পা ফেলতেই উৎসুক জনতা তাঁদের ঘিরে ধরে।
তাঁদের কাছে পেয়ে কেউ কেউ হাত মেলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আবার কেউ মোবাইলে সেলফি তুলে স্মৃতি করে রাখতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেন। এসময় পরিবারের লোকজন তাঁদের দুজনকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। আর এসব কর্মকাণ্ড দেখে 'মাশাআল্লাহ, মাশাআল্লাহ বাংলাদেশ' বলে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন আগত ওই সৌদি নাগরিক।
স্থানীয় বাসিন্দা মশিউর রহমান বলেন, প্রবাসী মাকসুদ গ্রামের গর্ব। সে আজ তাঁর মালিককে নিয়ে গ্রামে ফিরেছেন। এতে গ্রামের সবাই আনন্দিত। ওই কফিলও (সৌদি নাগরিক) হয়তো মাকসুদকে খুব পছন্দ করে। যেজন্য আগ্রহ নিয়ে সুদূর সৌদি আরব থেকে এই প্রত্যন্ত গ্রামে এসেছেন।
প্রবাসী মাকসুদ বলেন, আমার কফিল (মালিক) একজন ভ্রমণপিপাসু মানুষ। তিনি বাংলাদেশ খুব পছন্দ করেন। কাজ করার সময় প্রায়ই বলতেন, আমি তোমার দেশে যাব। তাই তাকে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমি আগে থেকেই পরিকল্পনা করি তাঁকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে গ্রামে যাব। সে জন্য ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে চলে আসি। তিনি সপ্তাহখানেক এখানে থাকবেন।
সৌদি নাগরিক মিশাল আল ইয়ামীর অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জানান, মাকসুদ খুবই ভালো ছেলে। আমি তাঁকে পছন্দ করি। সে আমার সকল ব্যবসা-বাণিজ্য দেখাশোনা করে। আমি তাঁর মতো আরও লোক বাংলাদেশ থেকে নিতে চাই। আমার পছন্দের একটি দেশ বাংলাদেশ।
তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ, কফিল, সৌদি আরব