০২ মে ২০২৬

দৈনন্দিন

সুনামগঞ্জে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি নির্যাতনে মৃত্যু

প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ

প্রকাশঃ ১৪ মে, ২০২৫ ৪:১৪ অপরাহ্ন


সুনামগঞ্জ শহরতলীর বাধনপাড়া এলাকায় এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির মালিক ও তাঁর ছেলেদের নির্যাতনের কারণেই প্রাণ গেছে মেয়েটির।

বুধবার সকালে বাধনপাড়ার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহকর্মীর নাম চম্পা বেগম (১৭)। তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম বাদশা মিয়া।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চম্পার ঝুলন্ত মরদেহ প্রথম দেখতে পান ওই বাড়ির মালিকের ছেলে শুভ। তিনি প্রথমে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। যোগাযোগ না হওয়ায় ঢাকায় অবস্থানরত চম্পার চাচাতো বোনকে বিষয়টি জানান। সেখান থেকেই খবর যায় চম্পার পরিবারের কাছে।

চম্পার বাবা বাদশা মিয়া বলেন, ‘তিন বছর আগে চম্পা ওই বাড়িতে কাজ করত। তখনও ওদের পরিবারের নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তাই আমরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসি। কিন্তু পরে বাড়ির মালিক নিক্কু চেয়ারম্যানের অনুরোধে আবার মেয়েকে সেখানে পাঠাই। এবার আর বেঁচে ফিরল না।’

নিহতের বড় বোন সায়মা বেগম বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমার বোন আমাকে ফোনে জানায়, নিক্কু চেয়ারম্যান ও তাঁর ছেলেরা তাকে লাঞ্ছিত করে। সে এখানে আর কাজ করতে চায় না। আমার বোনকে বাড়ির মালিক ও তাঁর ছেলেরা হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।’

সুনামগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিবুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’ 

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

সুনামগঞ্জ, গৃহকর্মী মৃত্যু, বাধনপাড়া, অভিযোগ

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ