২৩ এপ্রিল ২০২৬

দৈনন্দিন / গ্রামবাংলা

ওসমানীনগরে বিদ্যুতের লাইন টানা নিয়ে দুই পরিবারের উত্তেজনা

প্রতিনিধি, ওসমানীনগর, সিলেট

প্রকাশঃ ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ৬:৫৭ অপরাহ্ন


সিলেটের ওসমানীনগরে প্রতিবেশির জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক বিদ্যুতের লাইন টানা এবং গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের খছরুপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। 


স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ভূক্তভোগী পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে লাইন টানা হওয়ায় এ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।


ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গত ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে একই গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল হাসিদের কাছ থেকে অপর যুক্তরাজ্য প্রবাসী রেখা আলী বাড়ি নির্মাণের জন্য ১২ শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু চলতি বছরের ৫ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে বিক্রিত সেই ভূমির উপর দিয়েই বিদ্যুতের লাইন টানার উদ্যোগ নেন আব্দুল হাসিদ। এ সময় রেখা আলীর স্বজনদের বাধায় কাজ বন্ধ হয়। পরে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. এশাম উদ্দিনকে জানানো হলে তিনিও লাইন না টানার নির্দেশ দেন।


পরবর্তীতে ২১ নভেম্বর সকাল ৮টার দিকে আব্দুল হাসিদের লোকজন—আব্দুস সালাম, জাবেদুল হক ও ঠিকাদার আক্তার হোসেন জোরপূর্বক রেখা আলীর ভূমিতে একটি গাছ কেটে বিদ্যুতের লাইন স্থাপন করেন। এরপর থেকেই উভয় পক্ষের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।


রেখা আলীর পক্ষে আমরুল হক বলেন, আব্দুল হাসিদ লোকজন দিয়ে গাছ কেটে ভূমির উপরে জোরে বিদ্যুতের লাইন টেনেছেন। আমরা বিদ্যুৎ অফিস ও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

 

আব্দুল হাসিদ বলেন, তাদের জায়গায় সরকারি ভূমি রয়েছে, আমি সরকারি জায়গার উপর দিয়ে লাইন নিয়েছি।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. এশাম উদ্দিন বলেন, রেখা আলী ঘর নির্মাণের জন্য হাসিদ সাবের কাছ থেকেই জায়গা কিনেছেন। এখন বিক্রিত ভূমির উপর তিনি বিদ্যুতের লাইন টানছেন। আমরা লাইন টানতে নিষেধ করলেও তিনি শুনেননি।

 

পল্লী বিদ্যুতের কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডিজিএম নাইমুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। আবেদন করা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, বিদ্যুতের লাইন টানা ও গাছ কাটা সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

ওসমানীনগর বিদ্যুৎ লাইন বিরোধ, সিলেট স্থানীয় সংবাদ, খছরুপুর গ্রাম উত্তেজনা, জমি নিয়ে সংঘর্ষ সিলেট, পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ