২০ এপ্রিল ২০২৬

দৈনন্দিন / নগরজীবন

সিলেটের বাজার দর

স্থিতিশীল সবজির বাজার, বেড়েছে মোরগ-ডিমের দাম

মিফতা হাসান

প্রকাশঃ ৫ মে, ২০২৫ ৮:৩০ অপরাহ্ন

ছবিঃ বাজারের চিত্র/অন্তর দেব সৌরভ

সিলেটে অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে সবজির দাম। তবে বেড়েছে মোরগ ও ডিমের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লারের দাম বেড়েছে ২৫-৩০ টাকা। সোমবার (৫ মে) সিলেটের বিভিন্ন বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়লার মোরগ ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লারের দাম ছিল ১৫০-১৫৫ টাকা।


একই সাথে বেড়েছে ডিমের দামও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি হালি ডিমের দাম ৩-৫ টাকা করে বেড়েছে। তাছাড়া চাল, ডাল, তেল, পেয়াজ ও রসুনের দামও অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। সোমবার (৫ মে) সিলেটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদায় তুলনায় পণ্যের যোগান কম এবং পর্যাপ্ত মজুদ না থাকায় দাম কমেনি পণ্যের। যার কারণে আগের দামেই পণ্য বিক্রি করছেন তাঁরা। 


সোমবার সকালে নগরীর আম্বরখানা, বন্দরবাজার, রিকাবীবাজার, মদিনা মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। একইভাবে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ ও রসুনের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।


আজ বাজারে মানভেদে প্রতিকেজি চাল ৬০-১১০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০-৭০, সয়াবিন তেল ১৮০-১৯০ টাকা, প্রতি হালি মোরগের ডিম ৪৫ টাকা, হাঁসের ডিম ৬৫ টাকা, রসুন ১৮০-২০০ টাকা, আলু ২০-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চাল, ডালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও কিছু পণ্যে ৫-১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।  


এদিকে, গ্রীষ্মকালীন সবজির দামও স্থিতিশীল রয়েছে। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, করোলা ৬০-৭০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৬০-৬৫ টাকা, লাউ ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০-১০০ টাকা, মুলা ৫০-৫৫ টাকা, বেগুন ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।


আম্বরখানায় বাজার করতে আসা নয়ন আহমেদ নামে এক ক্রেতা বলেন, 'এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলেও পরিবারের সকল চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। অনেক সময় মাছ কেনার পর এক ব্যাগ সবজি কেনা যায় না। তবে, গত সপ্তাহে সবজির যে দাম ছিল এই সপ্তাহে তা কিছু কমেছে।'   


তিনি বলেন, ' ব্যয় বেড়েছে, কিন্তু আয় বাড়েনি। শেখ হাসিনার সময়ে নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেশি থাকলেও এখন অনেকটাই কম। ফলে, আগের তুলনায় এখন মোটামুটি ভালই চলা যাচ্ছে। তবে এখনও অনেক পণ্যের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে। সরকারের উচিত, এগুলো সাধারণের আয়ত্তের ভেতরে আনা।' 


সুমন শাওন নামে এক যুবক বলেন, 'চাকুরী করে মাসে যে টাকা পাই তার বেশিরভাগই বাজার-সদাইয়ে দিয়ে দিতে হয়। বাজারের যে অবস্থা, মাসের শুরুতে বাজার করতে হিমশীম খেতে হয়।'


ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে পণ্যের অভাব থাকায় বাইরে থেকে এসব পণ্য আনতে হয়। ফলে এর দামে কিছুটা প্রভাব পড়ে।  


আম্বরখানা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী বিলাল মিয়া বলেন, 'পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার ফলে আমাদেরকেও দাম দিয়ে পণ্য বেচতে হয়। তাছাড়া পরিবহন ব্যয় ও পণ্যের চাহিদার কারণেও অনেক সময় দাম বাড়ে।' এসময় এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি সবজির দাম কিছুটা কমেছে বলেও জানান তিনি।



শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

বাজারদর, সিলেটে বাজারদর, নিপ্যপণ্য, গ্রীষ্মকালীন সবজি, খুচরা বাজার

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ