ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে জগন্নাথপুরের মাদ্রাসা শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ৪:২৩ অপরাহ্ন
সিলেটের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) সারওয়ার আলম ও সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়াৎয়ের সাথে বাকবিতণ্ডারত এক যুবককে স্থানীয়দের মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ডিসি ও ইউএনওর সামনে মারধরের এ ঘটনায় এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘মব জাস্টিস’কে সমর্থন করা এবং হামলার শিকার ব্যক্তিকে উদ্ধার না করে ঘটনাস্থল থেকে সরে আসার অভিযোগ তুলছেন নেটিজেনরা।
তবে যুবককে মারধরের বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং খণ্ডিত ভিডিও যুক্ত করে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ভিডিও ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়াৎ।
তিনি বলেন, একটি চক্র সিলেটের খাদিমনগর চা বাগান এলাকার ভূমি দখল করে প্লট আকারে বিক্রি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তারা চা শ্রমিকদের আদি বসতি থেকেও উচ্ছেদ করে সে জায়গা দখল করেছে এবং স্থানীয়রা যারা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাদেরকে বিভিন্ন মামলায় জর্জরিত করেছে।
ইউএনও বলেন, শুক্রবার রাতে ডিসি সারওয়ার আলম খাদিমনগর এলাকায় গেলে দখলদার চক্রের মুলহোতা মোজ্জামেল হোসেন লিটন ডিসির সাথে বিতর্কে জড়ান। এ সময় এলাকার তরুণরা, যারা দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, তারা আমাদের সামনেই লিটনকে মারধর শুরু করেন।
তিনি বলেন, ‘তখন আমাদের সাথে থাকা পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্যরা দ্রুতই স্থানীয়দের থামিয়ে যুবককে মারধর থেকে উদ্ধার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন অনুযায়ী এই যুবককে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।’
ইউএনও খোশনূর রুবাইয়াৎ আরো বলেন, ‘আজ সকাল থেকে ভ্রাম্যমান আদালত খাদিমনগর চা বাগানের বেদখলকৃত ভূমি উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে এবং প্রচুর ভূমি উদ্ধার করেছে। এছাড়াও এই চক্রের সাথে জড়িত আরো ২জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুরো ঘটনার দুটি খণ্ডিত অংশের ভিডিও একসাথে যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছেন।’
সিলেট, খাদিম নগর, ডেপুটি কমিশনার, সদর উপজেলা