জঙ্গি আতঙ্কে বিদেশি কূটনৈতিক মিশনে নিরাপত্তা জোরদার
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৪ মে, ২০২৫ ১০:১৪ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরনবী তালুকদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য।
রোববার (৪ মে) দুপুরে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিতভাবে এ প্রস্তাব জমা দেন সাতজন ইউপি সদস্য। অনাস্থা প্রস্তাব দাতাদের মধ্যে রয়েছেন ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তার, আমিনুল ইসলাম, সৈয়দ হোসেন, আব্দুল মান্নান, মো. সবুজ, আব্দুল মোতালেব ও মুজিবুর রহমান।
অভিযোগপত্রে তাঁরা উল্লেখ করেন, চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন এবং পরিষদের নিয়মিত সভায় উপস্থিতও থাকছেন না। তাছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ এককভাবে ব্যবহার করছেন।
প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, চেয়ারম্যান ভিজিডি ও ভিজিএফ কার্ড বণ্টনে স্বজনপ্রীতি করেছেন। দোকানপাট ও ট্রেড লাইসেন্স বাবদ আদায়কৃত অর্থ নিজের তহবিলে রেখে দিচ্ছেন এবং জন্ম নিবন্ধনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও গভীর নলকূপ বিতরণ ও শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।
এরপর একই দিন বিকেলে মহিষখলা বাজারে একটি মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন ইউপি সদস্যরা। এসময় স্থানীয় এলাকাবাসীও তাদের সঙ্গে যোগ হয়ে চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি করেন।
ইউপি সদস্যদের দাবি, ২০২২ সালের বন্যায় ত্রাণ বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম, গুচ্ছগ্রামে রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলকভাবে ঘর বরাদ্দ এবং ভিজিডি মালামাল বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
এদিকে, চেয়ারম্যান নূরনবী তালুকদারের বিরুদ্ধে কথা বলায় আমিনুল ইসলাম নামের একজন ইউপি সদস্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন অনাস্থাকারী ইউপি সদস্যরা।
বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন, নূরনবী তালুকদার অনিয়ম, ইউপি চেয়ারম্যান অনাস্থা, মধ্যনগর, চেয়ারম্যান নূরনবী তালুকদার