ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে জগন্নাথপুরের মাদ্রাসা শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ৬:৫৩ অপরাহ্ন
চারদিনের আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছেড়েছেন ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা। আগামী রোববারের (২ নভেম্বর) মধ্যে দাবি না মানলে পরিবারসহ আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এই ঘোষণা দিয়ে চৌহাট্টা-জিন্দাবাজার সড়ক থেকে সরে যান তারা। অবরোধ তুলে নেওয়ায় ওই সড়ক দিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালুসহ ১১ দফা দাবিতে সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় অবস্থান করেন চালকরা। এতে সকাল থেকে চৌহাট্টা জিন্দাবাজার সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে, ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ ও অবরোধকে কেন্দ্র করে সতর্কবস্থানে ছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে চৌহাট্টা এলাকায় মোতায়েন করা সেনাবাহিনী ও বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্যদের। তবে কোনো অনাকাঙ্খত ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সড়ক দখল করে আন্দোলনের ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী ও নগরবাসী। এতে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অবশ্য আন্দোলকারীদের দাবি, জরুরী পরিবহন অ্যাম্বুলেন্সন ও রোগীবাহি যানবাহনের চলাচলে রাস্তা দিচ্ছেন তারা।
মদন মোহন কলেজের শিক্ষার্থী আফজাল সোহেল বলেন, ‘এখন যেকোনো দাবি নিয়েই সড়ক অবরোধ করে রাখা হচ্ছে। সড়ক দখল করেন সমস্যা নাই। তবে আগে জানানো হলে আমরা বিকল্প রাস্তা চিন্তা করব। বাসা থেকে বাইক নিয়ে এসে বিপদেই পড়েছি তারা আমাদের যেতেই দিবে না।’
বন্দরবাজার হয়ে জিন্দাবাজার দিয়ে চৌহাট্টা এলাকায় দিয়ে আম্বরখানা মালপত্র নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল ফারুক আহমদের। তিনি বলেন, ‘এটি কেমন কাজ রাস্তা ব্লক করে কেন আন্দোলন করতে হবে? শহীদ মিনারের ভিতরেই করতে পারত তারা। ইচ্ছে করেই একটা বিশৃঙ্খলা আর ভোগান্তি সৃষ্টি করতেই এমন কাজ করতেছে। আমাকে এখন মালপত্র বিকল্প রাস্তায় নিতে হচ্ছে। সেই সুযোগে চালক ভাইও অতিরিক্ত টাকা চাচ্ছেন।’
এদিকে এ দাবিকে যৌক্তিক ও মৌলিক দাবি আখ্যায়িত করে রিকশা ভ্যান ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সমন্বয়ক মনিষা ওয়াহিদ বলেন, ‘আমরা সড়ক অবরোধ করেছি সেজন্য কারো কষ্ট হচ্ছে। তবে জরুরী প্রয়োজনের গাড়িগুলো ছাড়তেছি। সড়কের এক পাশ খুলে দিয়েছি। আমরা চাই আমাদের দাবি মেনে নিকঅ আজ ১ মাস হয় তারা না খেয়ে আছে। তাদের জন্য আপনারা একদিনে কষ্ট নিতে পারতেছেন না তাইলে তারা কিভাবে বেচে আছেন একবার ভেবে দেখবেন।’
সিলেট, সড়ক অবরোধ, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা