০৫ মে ২০২৬

দৈনন্দিন / সভা-সমাবেশ

প্রধান উপদেষ্টার আকাঙ্ক্ষা এগিয়ে নিতে পারেননি সহযোগীরা : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ৩:০৩ অপরাহ্ন

ছবিঃ আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় বক্তব্য রাখছেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বর্তমান সরকার বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা যে উৎসাহ ও আগ্রহ নিয়ে শ্বেতপত্র ও বিভিন্ন টাস্কফোর্স রিপোর্ট তৈরি করেছিলেন, তা তার সহযোগীরা এবং সংশ্লিষ্ট আমলাতন্ত্র বেশিদূর এগিয়ে নিতে পারেননি, এটি পরিতাপের বিষয়।

তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, আগামী দিনে রাজনৈতিক ইশতেহারে এসব প্রতিশ্রুতিকে স্থান দিতে হবে। নতুন সরকার আসলে এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।”

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের একটি পার্টি সেন্টারে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের প্রাক-নির্বাচনী উদ্যোগে আয়োজিত আঞ্চলিক পরামর্শ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে এবং দেশকে মধ্যম আয়ের স্তরে এগিয়ে নিতে হলে সংস্কার অপরিহার্য। সংস্কারবিরোধী যে জোট তৈরি হয়েছিল, সেটি ভাঙতে হলে পরিকল্পিত উদ্যোগ নিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, রাজনীতিবিদরা বিষয়টি উপলব্ধি করবেন এবং ইশতেহারে প্রতিফলিত করবেন। তবে এই সরকার একা সব করতে পারবে না আগামী দিনের সরকারকেও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।”

তিনি মনে করেন, রাজনীতিবিদরা এবার নাগরিকদের মুখোমুখি হয়ে আগের ব্যর্থতার স্বীকৃতি দিয়েছেন এটিই নাগরিক রাজনীতির পরিপক্বতার লক্ষণ। “আমরা চাই, তারা জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করুন। এজন্য ইশতেহার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নিয়ে যে শঙ্কা এখনো আছে, তা দ্রুতই দূর হোক এটাই নাগরিকদের প্রত্যাশা।”

ড. দেবপ্রিয় বলেন, “সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই সরকার কিছু কাজ করেছে, কিছু করতে পারেনি। এখন যে সময়টুকু আছে, তাদের বলা উচিত ‘আমরা চলে যাওয়ার আগে কী কী করে যাব’। সেই স্বচ্ছতাটাই আমরা প্রস্তাব করছি। দেশ থাকবে, জাতি থাকবে, আমরা চাই সংস্কারও অব্যাহত থাকুক।”


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

সিলেট, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সিপিডি

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ