দীর্ঘদিন উপেক্ষিত থাকার পর অবশেষে সিলেটে যথাযথ মর্যাদা পেতে যাচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী ও নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী (এমএ) খান। নগরীতে তাঁর নামে গড়ে তোলা হবে একটি বিজ্ঞান জাদুঘর, নতুন করে নামকরণ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চণ্ডীপুল চত্বরেরও। এ ছাড়া তাঁর স্মৃতি ধরে রাখতে সিলেটে আরও কয়েকটি স্থাপনা ও সড়কের নামকরণেরও পরিকল্পনা করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে এসব পরিকল্পনার কথা জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় এম এ খানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মাহফিলে বক্তব্যে মীর শাহে আলম বলেন, খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক বিবেচনায় এতদিন ধরে অবহেলিত ছিলেন মাহবুব আলী খান। সিলেটে ইতোপূর্বে এই গুণী মানুষটির স্মৃতি সংরক্ষণে তেমন কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। এই ঘাটতি পূরণেই এবার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শুধু বিজ্ঞান জাদুঘর বা চণ্ডীপুল চত্বরের নামকরণই নয়। এম এ খানের নামে সিলেটে আরও কিছু স্থাপনা ও সড়ক নামকরণের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম জানান, সিলেট বিভাগের অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ ছাড় হলে আগামী এক বছরের মধ্যেই সিলেটের সড়ক ও হাটবাজারগুলোতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মাহবুব আলী খানের বাড়ি ছিল দক্ষিণ সুরমায়। তাঁর নামে ইতোমধ্যে সিলেটের লামাকাজি এলাকায় একটি সেতু রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা।
এম এ খান, বিজ্ঞান জাদুঘর, চণ্ডীপুল চত্বর, নামকরণ, সিলেট, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী