অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই প্রাণ যায় বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:১৩ অপরাহ্ন
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের চার লাখ মসজিদের নয় লক্ষাধিক ইমাম—মোয়াজ্জিন ও খতিবরা সরকারের লোকাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের মাধ্যমে সরকারের যেকোনো ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে জনগণের কাছে পৌছে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকার এই বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিণত করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে।’
সোমবার (১ ডিসেম্বর) নগরের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে সাত জেলার ইমামদের ৪৫ দিন ব্যাপি নিয়মিত প্রশিক্ষণের ১২০২ তম ব্যাচের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ইমাম ও খতিবরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে সামাজিক সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা ধমীর্য় নেতার পাশাপাশি একেকজন উদ্যোক্তা হিসেবে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। ফলে সমাজে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জনগণ তাদের বক্তব্য মন দিয়ে শোনার কারণে তারা মাদক—যৌতুকসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিরসনে সচেতনা সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারছেন।’
অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের চার জেলা ছাড়াও কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নির্বাচিত একশ ইমাম অংশ নেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি ঢাকার উপ—পরিচালক (প্রশাসন) মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
সৈয়দ ফখরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি সিলেটের উপ—পরিচালক কৃষিবিদ আনোয়ারুল কাদির।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মাওলানা আবু সালেহ, মাওলানা ফয়সল আহমদ উজ্জ্বল ও মাওলানা আরাফাত হোসাইন।
সভাপতির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরান বলেন, ‘ইমাম ও খতিবদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে। কারণ ইমাম ও খতিবরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠলে ধমীর্য় নেতা হিসেবে সমাজে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। জনগণ তাদের কথা মন দিয়ে শুনবেন।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এদেশের ইমাম ও খতিবরা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে সরকারের বিভিন্ন ঘোষণা জনগণের কাছে পৌছে দিচ্ছেন। সরকারের উচিত ইমামদের জন্য কিছু করা। দেশের প্রতিটি মসজিদে গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু, মসজিদ পরিচালনা নীতিমালাকে আইনে পরিণত করা এবং ইমাম—মোয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টকে ব্যাংকে রূপান্তর করা এদেশের ইমাম—খতিব ও মোয়াজ্জিনদের প্রাণের দাবি।’
সিলেট, ইমাম, ডিসি,