সুনামগঞ্জের ৫০০ পরিবারে মধ্যে ত্রাণ বিতরণের উদ্যোগ সরকারের
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
সিলেটের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, ‘সিলেট নগরীর ২৩টি বিপজ্জনক ভবন ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলো খুব শীঘ্রই ভেঙে ফেলা হবে। এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি ভবন রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই অপসারণের কাজ শুরু হবে।’
শনিবার (২২ নভেম্বর) দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকদফা ভূমিকম্পের পর নগরবাসীকে সতর্কতা করতে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘চিহ্নিত ভবনগুলোতে এখনো কেউ কেউ বসবাস করছে বা কাজ করছে। দ্রুত অপসারণ না করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নাগরিকদের সুরক্ষার জন্যই আমরা জরুরি ভিত্তিতে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুযোর্গ মোকাবেলায় প্রশাসন ইতোমধ্যে একাধিক ওয়ার্কশপ করেছে। তবে উদ্ধারকাজে প্রধান সমস্যা হচ্ছে সংকীর্ণ রাস্তা-ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করতে না পারলে রেসকিউ কার্যক্রম ব্যাহত হবে।’
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯ সালে সিসিক নগরীর ২৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি করেছিল। এর মধ্যে ৬টি সংস্কারের মাধ্যমে ঝুঁকিমুক্ত করা হলেও ১৮টি ভবন এখনো বিপজ্জনক অবস্থায় রয়ে গেছে। এরমধ্যে রয়েছে-সমবায় ব্যাংক ভবন মার্কেট, মধুবন মার্কেট, সুরমা মার্কেট, মিতালী ম্যানশন, রাজা ম্যানশন, নবপুষ্প-২৬/এ, আজমীর হোটেলসহ আরও বেশ কিছু আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন। এ ছাড়া পূর্বের তালিকা থেকে কিছু ভবন ইতোমধ্যে অপসারণ বা সংস্কার করা হয়েছে-যেমন কালেক্টরেট ভবন-৩, বন্দরবাজার সিটি সুপার মার্কেটের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ, কিবরিয়া লজ, বনকলাপাড়ার নূরানী-১৪, ধোপাদিঘীর পাড়ের পৌর শপিং সেন্টার ইত্যাদি।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সিলেট ও আশপাশের জেলার মানুষের আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে এক সেকেন্ড ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্প হয়-প্রথমটি ৩.৭ এবং পরেরটি ৪.৩ মাত্রার। একই দিন সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩.৩ মাত্রার আরেকটি ভূকম্পন অনুভূত হয়।
এর আগের দিন শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ৫.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে দুই শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়, আহত হয় কয়েকশ মানুষ।
সিলেট, চিহ্নিত, ২৩টি বিপজ্জনক, ভবন, ভাঙা, ডিসি, সারওয়ার আলম,