সুনামগঞ্জের ৫০০ পরিবারে মধ্যে ত্রাণ বিতরণের উদ্যোগ সরকারের
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১:১৪ অপরাহ্ন
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট শাহপরান থানা কমিটির সহ-সভাপতি মো. জালাল মিয়ার মৃত্যুতে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৫ অক্টোবর বিকেল ৫টায় ইসলামপুর (মেজরটিলা) বাজারে আয়োজিত এই শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া এবং সঞ্চালনা করেন শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি জয়নাল মিয়া।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রমিকনেতা রজত বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট কুমার চন্দ্র রায়।
অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার, স’মিল শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহ্বায়ক শুভ আজাদ শান্ত, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির আহ্বায়ক মিনারা বেগম, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট শাহপরান থানা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের যুগ্ম সম্পাদক রমজান আলী পটু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমদাদুল হক ইমন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, সহ-সভাপতি আলমাছ মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, ক্রীড়া সম্পাদক সুনু মিয়া সাগর, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির প্রচার সম্পাদক সুনু মিয়া।
বক্তারা বলেন, `সহজ-সরল ব্যবহারের কারণে জালাল মিয়া শ্রমিকদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তিনি হোটেল শ্রমিকদের মে দিবসে ছুটি, রমজানে ছাঁটাই বন্ধ ও বেতন-বোনাস নিশ্চিতকরণ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শ্রমিকদের ন্যায়সংগত দাবি ও অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন আপসহীন যোদ্ধা।'
বক্তারা আরও বলেন, `হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সেক্টরে প্রায় ৩০-৩৫ লাখ শ্রমিক কর্মরত, কিন্তু তারা শ্রম আইনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদানসহ শ্রম আইন বাস্তবায়ন না হলে এ সেক্টর বিনিয়োগের অগ্রাধিকার থেকে পিছিয়ে পড়বে। জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থেও এই খাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন জরুরি।'
তারা রিকশা-ভ্যান শ্রমিকদের জীবিকা রক্ষায় প্রশাসনের কঠোরতার সমালোচনা করে বলেন, দরিদ্র মানুষ নিজস্ব পুঁজিতে আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করলেও বিভিন্ন অজুহাতে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। যানজট নিরসনে অবৈধ পার্কিং বন্ধ ও নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্ধারণের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
মো. জালাল মিয়া গত ১ অক্টোবর রাত ১০টায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে যান।
সিলেট, জেলা, হোটেল শ্রমিক, ইউনিয়ন, সহ-সভাপতি, জালাল মিয়া, মৃত্যু, শোকসভা