সুনামগঞ্জের ৫০০ পরিবারে মধ্যে ত্রাণ বিতরণের উদ্যোগ সরকারের
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১:৩০ অপরাহ্ন
তিন দফা দাবিতে সারাদেশে কর্মবিরতি পালন করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।
শিক্ষকদের এই আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে সিলেট নগরীতে তেমন কোন কর্মসূচি চোখে পরে নি। তবে কিছু এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজে কর্মবিরতির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে আবার নিয়মিত ক্লাশ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা যায়, স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিভাবেই চলছে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যায় নগরীর বাইরে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে। সেসব বিদ্যালয়গুলোতে কর্মবিরতি পালন করেছেন কতৃর্পক্ষ।
সিলেট নগরীতে মাঠে নেমে আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করার কোন চিত্র দেখা যায় নি। তবে সিলেটের শিক্ষক নেতারা জানান, মাঠ পযার্য়ে সিলেটের নেতৃবৃন্দ আন্দোলন না করে ঢাকায় আন্দোলনে তারা যোগ দিয়েছেন।
বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছি। কেন্দ্রীয়ভাবেও আমাদের অনেকে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।’
শিক্ষক নেতা সিলেট এইডেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শমসের আলী বলেন, ‘শিক্ষকদের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা এই সঙ্গে যোক্তিক আন্দোলনের সঙ্গে একমত। তবে আমরা এই মুহুর্তে কর্মবিরতি পালন করছি না । আজ আমরা আলোচনায় বসে সাংগঠনিক সিদ্দান্ত নেব।’
শিক্ষক আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী সিলেট প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জীবন কৃষ্ণ সরকার বলেন, ‘কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা আজ কর্মবিরতি পালন করছি। শিক্ষকদের এই দাবি আদায়ে আমরা সবসময় একাত্মতা পোষণ করে সঙ্গে আছি।’
খেঁাজ নিয়ে জানা যায়, সিলেটের প্রায় প্রতিটি উপজেলায় শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। তবে সিলেট শহরে এই আন্দোলনের কোন উত্তাপ নেই।
জানা গেছে, দীর্ঘ দিনের দাবি আদায়ে রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
এর প্রতিবাদে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হন। বাড়ি ভাড়া হিসেবে মূল বেতনের ২০ শতাংশ ভাতাসহ তিন দাবিতে লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দেন।
বেসরকারি মাদরাসায় ন্যূনতম ৯ হাজার ৩০০ ও বেসরকারি স্কুলে ন্যূনতম ১২ হাজার ৫০০ টাকা বেতনে শিক্ষকরা অমানবিক জীবনযাপন করছেন, যা থেকে উত্তরণের জন্যই তাদের এই আন্দোলন।
সারাদেশ, কর্মবিরতি, শিক্ষকরা, সিলেট, স্বাভাবিক, পাঠদান