অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই প্রাণ যায় বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১০:৪৯ অপরাহ্ন
সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করার ঘটনায় সিলেটে ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম ও অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার (এডিসি)-শিক্ষা নুমের জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিলেটের সিনিয়র সহকারী জজ (সদর আদালত) আদালতে মামলার শুনানি শেষে ডিসি ও এডিসিকে ১৫ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তবে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত আদালতের নির্দেশটি হাতে পাননি জানিয়ে ডিসি সারওয়ার বলেন, ‘নির্দেশনা পাওয়া গেলে বিধিমোতাবেক জবাব দেয়া হবে।’
মামলা ও নোটিশ প্রেরণের বিষয়টি সিলেট ভয়েসকে জানিয়েছেন খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষিকা আবেদা হকের আইনজীবী ইরশাদুল হক।
এর আগে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবেদা হক ও মো. রোকন উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আবেদা হক ও মো. রোকন উদ্দিন প্রতিষ্ঠানের যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোন ধরনের নিয়োগপত্র বা পদোন্নতি ব্যতীত স্বপ্রণোদিতভাবে জোরপূর্বক এই প্রতিষ্ঠানের ভাইস প্রিন্সিপাল ইন-চার্জ (নারী)-এর দায়িত্ব গ্রহণ করে বিদ্যালয়ে কর্মরত অন্যান্য শিক্ষকদেরকে ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে তাকে অভিনন্দন জানাতে বাধ্য করেছেন।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পদবি হালনাগাদকরণসহ বহুল প্রচারের জন্য সিলেটের স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রেস রিলিজ প্রচার করেছেন যা খাজাঞ্চিবাড়ী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের সার্ভিস রুলস এবং রেগুলেশন-এর সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
আইনজীবী ইরশাদুল হক বলেন, ডিসি পদাধিকারবলে ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হলেও কোন সিদ্ধান্ত তিনি এককভাবে নিতে পারেন না। তার এ বরখাস্তের আদেশ সঠিক নয় বলে আমরা সকল নথিপত্র সহ আদালতে মামলা দায়ের করেছি।
সিলেট, ডিসি, সারওয়ার আলম, মামলা, খাজাঞ্চিবাড়ি স্কুল,