সুনামগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৪ আগস্ট, ২০২৫ ১১:৩৯ অপরাহ্ন
কুশিয়ারা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালীশ্রী গ্রামের নদী তীরবর্তী মানুষ। প্রতিদিনই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি, ঘরবাড়ি ও বসতভিটা। কৃষক পরিবারগুলো হারাচ্ছে জীবিকা, ঘরবাড়ি এবং বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও।
দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলেও কারও ভ্রুক্ষেপ নেই সেদিকে। এতে করে ভাঙনের ভয়াল থাবায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শত শত মানুষ। নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে অসংখ্য গ্রাম।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কুশিয়ারা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েচে। নতুন করে হুমকিতে পড়েছে স্কুল, মাদরাসাসহ দুই শতাধিক বসতভিটা। গত এক সপ্তাহে অন্তত ১৫টি ঘরবাড়ি এবং শতাধিক বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
বালীশ্রী গ্রামের ইয়াবর মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, জমি গেল কুশিয়ারা নদীর পেটে। এর আগে নদী কেড়ে নিয়েছে আরও ১২ বিঘা জমি। এখন বসতভিটাও নেই। কীভাবে চলবে আমাদের সংসার। আল্লাহই জানেন।
একই গ্রামে আশারফ মিয়া বলেন, কুশিয়ারার নদীর ভাঙনে বালীশ্রী গ্রামের অনেক জমি চলে গেছে। বাড়িও চলে গেছে বাকি জমিগুলোও এখন হুমকির মুখে। আমাদের সংসার একসময় স্বচ্ছল ছিল। এখন রাস্তায় উঠে আসার উপক্রম।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহব্বায়ক আশাফুজ্জান বাদশা বলেন, আমার এলাকায় শতাধিক বিঘা জমি ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে। আরো প্রায় ৩০০ বিঘা জমি ঝুঁকিপূর্ণ। পানি উন্নয়ন বোর্ড শুধু পরিদর্শনে আসছে, কিন্তু প্রতিরোধে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। অন্তত জিও ব্যাগ ফেলানো গেলে অনেক জমি রক্ষা পেতো-বলেন তিনি।
জগন্নাথপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী সবুজ কুমার সীল জানান, কুশিয়ারা নদী ভাঙনে বালীশ্রী গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খবর পেয়েছি। ভাঙন রোধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
কুশিয়ারা, নদী ভাঙন