সিলেটে সড়কে প্রাণ হারানো ৮ মরদেহ বহনে অ্যাম্বুলেন্স সহায়তা দিল এসনিক
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৪ জুলাই, ২০২৫ ১২:৩৪ অপরাহ্ন
দোয়ারাবাজার থেকে সুনামগঞ্জে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়কটি এখন ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শতাধিক গাছের অনেকগুলোই মরে গেছে ও ঘুণে খেয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কপথের পাশে মরা গাছগুলো যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা এমন শঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।
এ সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিনই দোহারিয়া বাজার, দোয়ারাবাজার, শ্রীপুর বাজার ও শ্যামলবাজার এলাকার মানুষ সুনামগঞ্জ জেলা শহরে যাতায়াত করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মরা গাছগুলোকে সরানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে আমবাড়ি বাজার ও কাটাখালী বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কের পাশে অন্তত ৮ থেকে ১০টি মরা গাছ দাঁড়িয়ে আছে, যার নিচ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। কিছু গাছের ডাল ইতিমধ্যে ভেঙে পড়েছে, কোথাও গোড়ায় ধরে গেছে পচন।
স্থানীয় শ্যামলবাজারের বাসিন্দা উসমান বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টিতে মাঝেমধ্যে মরা ডালপালা ভেঙে পড়ে। প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। গাছগুলো এখানেই পচে গলে যায়। আশপাশের লোকজন অনেক সময় ডাল কেটে রান্নার কাজে নিয়ে যায়।’
অটোরিকশা চালক সুহেল বলেন, ‘প্রায় ১০ বছর ধরে মরা গাছের নিচ দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছি। সব সময় ভয় লাগে—যেকোনো সময় মাথার ওপর ভেঙে পড়তে পারে।’
স্থানীয়রা জানান, দোয়ারাবাজার-আমবাড়ি সড়ক ও পাণ্ডারখাল বাঁধসংলগ্ন জনবহুল এলাকায় অনেক গাছ শুকিয়ে মারা গেছে। গাছ অপসারণে উদ্যোগ নিলেও প্রশাসনিক জটিলতায় পড়তে হয়।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুপ রতন সিংহ বলেন, ‘আসলে গাছগুলো মরে গেছে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে মানুষ বা যানবাহনের ওপর। বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দোয়ারাবাজার, রাস্তা, সুনামগঞ্জ, ঝুঁকি, যানবাহন