২১ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচন / জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ইসলামী দলগুলোর সমঝোতায় সিলেটে আসন ছাড়তে পারে জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:৪০ অপরাহ্ন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটে দু–একটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আটটি ইসলামী দলের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগের কারণে এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। জামায়াত জোটে না গেলেও ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের আলোচনা চলছে; সমঝোতা চূড়ান্ত হলে সিলেটের কোনো আসন অন্য দলের জন্য ছাড় দিতে পারে দলটি।

সিলেটের ছয়টি আসনের কোনটি ছাড় দেওয়া হতে পারে, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। তবে যেখানে জামায়াতের অবস্থান তুলনামূলক দুর্বল অথবা সমমনা অন্য ইসলামী দলের প্রার্থী শক্তিশালী সেসব আসন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সমঝোতাকারী দলের চাহিদাও বিবেচনায় রাখা হবে বলে জানা গেছে।

ঘোষিত প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে প্রচারণা শুরু করেছেন। পোস্টার–ব্যানার, গণসংযোগ থেকে শুরু করে মতবিনিময় সভা—সবই চলছে আগের মতোই। তবে সমঝোতার আলোচনার কারণে রাজনীতির মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রার্থী পরিবর্তনের সম্ভাবনা।

সিলেট-১ আসনে প্রথমবার প্রার্থী হয়েছেন জামায়াতের সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সিলেট-২ আসনে আছেন অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান। একই আসনে বিএনপির তাহসিনা রুশদীর লুনা এবং খেলাফত মজলিসের মুনতাসির আলীও কাজ করছেন। সিলেট-৩ আসনে মাওলানা লোকমান আহমদকে জামায়াতের সবচেয়ে শক্ত প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক। সিলেট-৪ আসনে আছেন জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আরিফুল হক চৌধুরী, মিফতাহ সিদ্দিকী ও আব্দুল হাকিম চৌধুরীর নাম রয়েছে। সিলেট-৫ আসনে মাওলানা আনোয়ার হোসেন খানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে আছেন জমিয়ত নেতা মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। এখানে বিএনপি এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। সিলেট-৬ আসনে প্রার্থী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. সেলিম উদ্দিন।


জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ৩০০ আসনেই সমানভাবে কাজ চলছে। ইসলামী আট দলের সঙ্গে আলোচনা কেন্দ্রে হচ্ছে। সমঝোতা হলে আসন ছাড়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে দল। মাঠপর্যায়ে যাঁর জয়ের সম্ভাবনা বেশি, সেটিই দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো আসনে অন্য দলের প্রার্থী জনপ্রিয় হলে সেটিও বিবেচনায় আসতে পারে। এখনকার প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে; চূড়ান্ত ঘোষণার আগ পর্যন্ত সবাই কাজ করবেন। প্রার্থী পরিবর্তন হলে আগের প্রার্থী নতুন প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবেন।

সমঝোতার বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে আলোচনা চলছে  উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের কোন আসন আলোচনায় আছে বা ইসলামী দলগুলো কতটি আসন চাইছে এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে এখনো কিছু জানানো হয়নি।


শেয়ার করুনঃ

নির্বাচন থেকে আরো পড়ুন

সিলেট, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী দল

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ