
দর্জির কাজ করে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার অর্পার উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষক সীমান্ত তালুকদার সুমন।
গত ১৪ জুলাই ‘দর্জির কাজ করেও এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন শাল্লার অর্পা’-- এই শিরোনামে সিলেট ভয়েসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা নজরে আসে শান্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমনের।
দারিদ্র্যতার কারনে মেধাবী অর্পা যাতে পিছিয়ে না পরে তা নিশ্চিত করতে এইচএসসি পর্যন্ত অর্পার পড়ালেখার যাবতীয় খরচের ব্যয়ভার বহন করার কথা সিলেটভয়েসকে জানিয়েছেন সীমান্ত তালুকদার সুমন। তিনি উপজেলার ডুমড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ই-প্ল্যানেট নামক একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান।
অর্থের অভাবে অর্পার পড়াশোনায় যাতে কোনধরনের ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য এইচএসসি পর্যন্ত অর্পাকে এই সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি এসএসসি পর্যন্ত অর্পা তালুকদারের ছোট ভাই অর্ঘ্য তালুকদারের লেখাপড়ার সব খরচও তিনি বহন করবেন বলে জানান।
সীমান্ত তালুকদার সুমন সিলেটভয়েসকে বলেন, ‘দর্জির কাজও করেছে, নিজের পড়াশোনাও সামলিয়েছে অর্পা। ওদের মতো পরিশ্রমীরা সুযোগ সুবিধা পেলে বিশ্বজয় করবে।’
তিনি বলেন, ‘অর্পা গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়ায় আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি৷ কারন তার মত সংগ্রামী জীবন খুব কম মানুষের হয়৷ একটু সুযোগ সুবিধা পেলে বিশ্বজয় করবে অর্পা। তার একটা ছোট ভাই আছে যার নাম অর্ঘ্য । সে ৮ম শ্রেণিতে পড়ে। সেও অনেক মেধাবী।’
সুমন বলেন, ‘এটা সহায়তা নয়, অর্পার পড়ালেখার প্রতিমাসের খরচ স্কলারশিপ হিসেবে তাকে দেওয়া হবে।’
তিনি জানান যে প্রতিমাসের এই স্কলারশিপে তাকে সহযোগিতা করবেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার অতি কাছের তিন-চারজন মানুষ।
শেয়ার করুনঃ
মানবিকতা থেকে আরো পড়ুন
সুনামগঞ্জ, শাল্লা, দর্জি, অর্পা, কৃতি শিক্ষার্থী, সহায়তা, শিক্ষক


