সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ মে
নির্বাচন
প্রকাশঃ ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ ৩:০৫ অপরাহ্ন
হবিগঞ্জ–১ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়ার একটি আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে শেখ সুজাত মিয়া রাজনীতির মতভেদের ঊর্ধ্বে উঠে ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক অটুট রাখার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, রাজনীতির পথে ভিন্নমত থাকতেই পারে, তবে পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্য নষ্ট হওয়া উচিত নয়।
স্ট্যাটাসে শেখ সুজাত মিয়া উল্লেখ করেন, কয়েক দিন আগেও তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন। পরিস্থিতির পরিবর্তনে আজ তিনি ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও দলের নেতা ও সহযোদ্ধাদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও সম্মান অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান।
তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে চিনি ও বুঝি। আমার কাছে কারও পরিচয় দিয়ে কথা বলতে হয় না। আজ আপনাদের শূন্যতা গভীরভাবে অনুভব করছি। তবে আল্লাহ চাইলে ভবিষ্যতে আবার একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ হবে ইনশাআল্লাহ।’
নিজেকে অনেকের মুরুব্বি হিসেবে উল্লেখ করে শেখ সুজাত মিয়া অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল হয়ে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে তিনি কারও কাছে কিছু প্রত্যাশা করেন না শুধু সবার দোয়া কামনা করেন।
স্ট্যাটাসের একেবারে শেষাংশে জীবন-মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, ‘হায়াত ও মউত আল্লাহর হাতে। যদি আমার মৃত্যু হয়, তাহলে অন্তত দলের ভাই হিসেবে আমার জানাজায় শরিক হবেন এই অনুরোধ রইলো।’
উল্লেখ্য, দলীয় নির্দেশ অমান্য করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ায় সম্প্রতি বিএনপি শেখ সুজাত মিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কারের পর তাঁর এই ফেসবুক স্ট্যাটাস রাজনৈতিক মহলে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
শেখ সুজাত মিয়া, হবিগঞ্জ, ফেইসবুক