সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ মে
নির্বাচন
প্রকাশঃ ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬ ৯:৩১ অপরাহ্ন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন (সিলেট সদর ও সিটি করপোরেশন) নির্বাচনের প্রচারণার দ্বিতীয় দিনেও ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গণসংযোগ, পথসভা, সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও মিছিলে মুখর হয়ে ওঠে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা। একই সঙ্গে সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালান প্রার্থীরা।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, কোর্ট পয়েন্ট, বন্দরবাজার, শেখঘাট, নবাব রোড, এবি পয়েন্ট, কলাপাড়া ও লামাপাড়া, খাদিমপাড়া্সহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রচারণা চালান প্রার্থীরা। এ সময় দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তারা। এছাড়াও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ভোট প্রত্যাশা করেন প্রার্থীরা।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে ভোটারদের অংশগ্রহণও ছিল নজরকাড়ার মতো। অনেক ভোটার প্রার্থীদের সঙ্গে এলাকার উন্নয়ন, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা সমস্যা ও কর্মসংস্থান নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানান। প্রার্থীরাও এসব সমস্যার সমাধানে কাজ করার আশ্বাস দেন।
শনিবার সকালে নগরীর জিতু মিয়ার পয়েন্ট থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পরে তিনি শেখঘাট, নবাব রোড, এবি পয়েন্ট, কলাপাড়া ও লামাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন।
গণসংযোগকালে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, গণসংযোগে তিনি বলেন, ‘বিগত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সিলেটে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে কোন উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়নি। সিলেটের জনসংখ্যা বাড়লেও ওসমানী হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওসমানী হাসপাতালে আসা রোগীরা যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হাসপাতালগুলো আধুনিক ও জনমুখী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে।’
এদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানও বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। নগরীর খাদিমনগরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় বিসিক শিল্প মালিক পরিষদের উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘সিলেট হচ্ছে প্রবাসী অধ্যুষিত ব্যবসাবান্ধব অঞ্চল। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্ব। সিলেটের জন্য সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করুন।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ইনকাম ট্যাক্স ৩০ পার্সেন্ট দিতে হয়। এটা অনেক বেশি, যেটাকে আমরা ১৯ পার্সেন্টে নিয়ে আসবো। এখন ভ্যাট ১৫ পার্সেন্ট দেন আমরা ১০ পার্সেন্টে নিয়ে আসবো। আগামী নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে পারেন। আর জামায়াত যদি সরকার গঠন করতে পারে তাহলে বৈষম্যহীন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক, কল্যাণময় ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ উপহার দিবো। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ব্যবসায়ী ও জনগণের জন্য উপযোগী একটি বাংলাদেশ উপহার দিবে ইনশাআল্লাহ।’
নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন, সিলেট, সিলেট-১ আসন, প্রচারণা, ইলেকশন, নির্বাচনী প্রচারণী